বাঙালিনিউজ

দ্যুতিময় বুলবুল
বাঙালিনিউজ, ঢাকা

আজ ১৭ মে, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৩৮তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। ১৯৮১ সালের এইদিনে দীর্ঘ ৬ বছরের নির্বাসন শেষে, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা তাঁর প্রিয় স্বদেশ বাংলাদেশে ফিরে আসেন। ওইদিন বিকেল সাড়ে ৪টায় ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের বোয়িং বিমানে তিনি ভারতের রাজধানী দিল্লী থেকে কোলকাতা হয়ে তৎকালীন ঢাকা কুর্মিটোলা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেন।

তখন জনসমুদ্রের জোয়ারে ভাসছিল বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। কুর্মিটোলা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শেরেবাংলা নগর পর্যন্ত, সব সড়ক-মহাসড়কে জনসমুদ্রের গর্জন, মুজিব হত্যার প্রতিশোধের হুংকার-বজ্রশপথ কণ্ঠে কণ্ঠে ধ্বনিত-প্রতিধ্বনিত হচ্ছে গগনবিদারী স্লোগানে স্লোগানে।

শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানিয়ে স্বাধীনতার অমর স্লোগান ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ ধ্বনিতে প্রকম্পিত হচ্ছে ঢাকার আকাশ-বাতাস। সমস্বরে ঘোষিত হচ্ছে, “হাসিনা তোমায় কথা দিলাম, পিতৃহত্যার বদলা নেবো।” গণতন্ত্রকামী ও স্বাধীনতা সংগ্রামী বঙ্গবন্ধুর ভক্ত-সমর্থক লাখ লাখ বাঙালির এই বাঁধভাঙা জোয়ার এবং মিছিল স্লোগানে ভেসে গিয়েছিল ঢাকার রাজপথ।

সমগ্র বাংলাদেশের গ্রাম-গঞ্জ-শহর-নগর-বন্দর থেকে অধিকারবঞ্চিত মুক্তিপাগল জনতা ছুটে এসেছিলেন রাজধানী ঢাকায়, তাদের আঁধার জীবনে আলোর দিশারী ও মুক্তির পথযাত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে এক নজর দেখতে, সশ্রদ্ধ ভক্তি ও ভালোবাসায় বরণ করতে। ছদ্মগণতন্ত্রের মুখোশের আড়ালে স্বৈরশাসকের শত ভয়ভীতি, হুমকি ও প্রতিরোধ তাদের রুখতে পারেনি, দমাতে পারেনি।

রাজনীতির বৈরী পরিবেশে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের সেই দিনটি ছিল রোববার। ছিল ঘণ্টায় ৬৫ মাইল বেগে কালবৈশাখী ঝড় ও মুশলধারায় বৃষ্টি মুখরিত। বাংলার আকাশ, বাতাস ও প্রকৃতি যেন শেখ হাসিনাকে কাছে পেয়ে তাঁর দুঃখ-বেদনার সাথী হয়ে অবিরাম কান্নার অশ্রুধারা বিসর্জন দিচ্ছিল। একইসঙ্গে ক্ষোভের রুদ্ররোষ প্রকাশ করছিল বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদে, অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে। বাঙালির মুক্তির কাণ্ডারী হিসেবে বরণ করে শেখ হাসিনাকে যেন নবউদ্যোমে জেগে ওঠার সাহস ও প্রেরণা যোগাচ্ছিল বাংলার আকাশ, বাতাস, প্রকৃতি।

১৯৮১ সালের ১৭ মে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের সেই দিন, শেখ হাসিনাকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানানোর জন্য উপস্থিত হন প্রায় ১৫ লাখ বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতাপ্রিয় বাঙালি। অপরিমেয় ভালোবাসা ও পরম শ্রদ্ধা ভরা আবেগ-উদ্বেলিত জনতার ঢল দেখে, দেশের মাটিতে পা রেখেই কান্নায় ভেঙে পড়েন প্রায় ৩৪ বছর বয়সী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।

তারপর লাখ লাখ জনতার সংবর্ধনার জবাবে সেদিন তিনি বলেছিলেন, “সব হারিয়ে আমি আপনাদের মাঝে এসেছি। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত পথে তার আদর্শ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে জাতির জনকের হত্যার প্রতিশোধ গ্রহণে আমি জীবন উৎসর্গ করতে চাই।”

লাখো জনতার হৃদয় ছোঁয়া ভালবাসার জবাবে সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগ প্রধান বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বলেন, “বাংলার মানুষের পাশে থেকে মুক্তির সংগ্রামে অংশ নেয়ার লক্ষ্যে আমি দেশে এসেছি। আমি আওয়ামী লীগের নেত্রী হওয়ার জন্য আসিনি। আপনাদের বোন হিসাবে, মেয়ে হিসাবে, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী আওয়ামী লীগের কর্মী হিসাবে, আমি আপনাদের পাশে থাকতে চাই।”

শেখ হাসিনা দেশে প্রত্যাবর্তনের পর আবেগাপ্লুত আওয়ামী লীগ নেতারা তাঁর হাতে তুলে দেন দেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী সর্ববৃহৎ ও সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পতাকা।

উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আত্মীয়-স্বজনসহ সপরিবারে নির্মমভাবে নিহত হন, তাঁর প্রতিষ্ঠিত প্রিয় স্বদেশ স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের একদল বিশ্বাসঘাতক, উশৃঙ্খল, ক্ষমতালোভী ও জাতীয় চেতনাবিরোধী বাঙালি সেনার হাতে, স্বাধীনতাবিরোধীদের প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ মদতে, নেপথ্য প্ররোচনায়।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী দেশি-বিদেশিদের ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তে তাদের ক্রীড়ানক ও অনুকম্পা লোভী দাসচক্রের এমন নৃশংস ও নির্মম হত্যাকাণ্ডের নজির পৃথিবীর ইতিহাসে আর দ্বিতীয়টি নেই। তবে ঘাতকদের এই হত্যাকাণ্ডের সময় বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা প্রাণে বেঁচে যান।

কারণ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে আত্মীয়-স্বজন সহ যথন সপরিবারে ঘাতকরা হত্যা করে, তখন স্বামী পরমাণু বিজ্ঞানী ড. ওয়াজেদ মিয়ার সঙ্গে জার্মানিতে অবস্থান করছিলেন শেখ হাসিনা ও তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা। ফলে তাঁরা হিংস্র ও নিষ্ঠুর ঘাতকদের নৃশংস হত্যাকাণ্ড থেকে প্রাণে বেঁচে যান। এরপর দেশে ফিরতে না পেরে সপরিবারে বিদেশে থাকতে বাধ্য হন শেখ হাসিনা ও তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা।

কিন্তু ওই খুনিচক্র ও তাদের পৃষ্ঠপোষক এবং ১৫ আগস্টের সুবিধাভোগী স্বাধীনতাবিরোধী সামরিক-বেসামরিক ষড়যন্ত্রকারীরা বন্দুকের নলের মুখে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলে নিয়ে সামরিক শাসন জারি করে। একইসঙ্গে তারা সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশ ও তার মুক্তি-সংগ্রামী বাঙালির ওপর, বিশেষ করে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া প্রিয় সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের ওপর, চরম নিপীড়ন নির্যাতন জেল জুলুম ও দুর্ব্যবহার-দুঃশাসন শুরু করে।

রাষ্ট্রক্ষমতার এই দখলদার চক্র বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধবিরোধী দেশি-বিদেশি মদতদাতাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশনা ও প্ররোচনায় এবং সহায়তা ও সহযোগিতায় জাতিকে জিম্মি করে রাখে-দিনের পর দিন, বছরের পর বছর। একইসঙ্গে তারা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেথ রেহানাকেও প্রিয় মাতৃভূমিতে ফিরতে বাধা দেয়। ফলে দীর্ঘ প্রায় ৬ বছর বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা দেশে আসতে না পেরে পরদেশে পরবাসী হয়ে বহু দুঃখ-কষ্টে চোখের জলে রাতদিন কাটিয়েছেন।

বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রায় ৬ বছর পর, ১৯৮১ সালের ১৪, ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ হাসিনাকে তাঁর অনুপস্থিতিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। দলের সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার পর দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও প্রগতিশীল রাজনৈতিক ধারা ফিরিয়ে এনে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ও আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন শেখ হাসিনা।

ফলে তিনি দেশ ও দেশের মানুষের টানে, পিতার অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করার জন্য, বেসামরিকের মুখোশে সামরিক জান্তা সরকার ও তার পৃষ্ঠপোষক স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের সকল ষড়যন্ত্র ও বাধা-বিঘ্ন অতিক্রম করে, প্রিয় স্বদেশে ফিরেন ১৯৮১ সালের ১৭ মে, আজকের এই দিনে।

তারপর দীর্ঘ ২১ বছরের লড়াই-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে, বহু ত্যাগ-তিতিক্ষার বিনিময়ে, অনেক নেতা-কর্মীর রক্তের পিচ্ছিল পথ পেরিয়ে, জেল-জুলুম উপেক্ষা করে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার চেতনায় বাঙালির পুনর্জাগরণ ঘটিয়েছেন এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষতায় পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। একইসঙ্গে তিনি সকল ইতিহাস বিকৃতি, মিথ্যা প্রচার-প্রপাগাণ্ডা ও নানামুখী ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত প্রতিরোধ করেছেন দৃঢ়চিত্তে, বজ্রকঠিন শপথে।

শুধু তাই নয়, শেখ হাসিনা যথাযথ প্রক্রিয়ায় বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার করেছেন এবং স্বাধীনতাবিরোধী একাত্তরের ঘাতক দালাল ও মানবতাবিরোধীদের বিচার নিশ্চিত করেছেন এবং স্বাধীনতার স্থপতি, বাঙালি জাতিরাষ্ট্র বাংলাদেশের জনক বঙ্গবন্ধু শেথ মুজিবুর রহমানকে পুনরায় স্বমহিমায় স্বস্থানে সমাসীন করেছেন এবং তাঁর স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষে অর্থনৈতিক মুক্তির পথে দৃপ্ত পদে অপ্রতিরোধ্য বেগে প্রচণ্ড সাহস ও শক্তিতে এগিয়ে যাচ্ছেন দুর্বার গতিতে।

পাশাপাশি তিনি দুই সন্তানকেও সুশিক্ষিত করে তুলেছেন। ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় একজন সফল তথ্যপ্রযুক্তিবিদ। বাংলাদেশের তথ্য-প্রযুক্তির বিপ্লব ও ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্ঠা ও পথিকৃত। যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণকারী সজীব ওয়াজেদ জয়, বিশ্বের নির্বাচিত তরুণ নেতৃত্বের একজন। মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল অটিজম বিশেষজ্ঞ হিসেবে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় কাজ করে ব্যাপক সুনাম অর্জন সহ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন।

শেখ হাসিনা ইতিহাস সৃষ্টি করে দলীয় কাউন্সিলে টানা আটবার নির্বাচিত হয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। একইভাবে তিনি তিনবার বিরোধী দলের নেত্রী ও টানা তিনবার সহ চারবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়ে বাংলাদেশে নজিরবিহীন ইতিহাস গড়েছেন।

আজ শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ বাণী প্রদান করেছেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সহ দেশের বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠন নানা কর্মসূচি পালন করছে।

রাষ্ট্রপতি তাঁর বাণীতে বলেছেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন শুরু করেন। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯০ সালে গণআন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরাচারের পতন হয়, বিজয় হয় গণতন্ত্রের। ১৯৯৬ সালের ১২ জুন সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বিপুল ভোটে জয়লাভ করে এবং শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠন করে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর সাধারণ নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার টানা তিনবার ক্ষমতায় এসে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে এবং সাফল্যের সঙ্গে সরকার পরিচালনা করছে। নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টি, বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং জনকল্যাণমুখী কার্যক্রমে দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের যথাযোগ্য মর্যাদায় দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ ফেরার দিনটি উদযাপনের জন্য দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মী ও জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে আজ বিকাল ৩টায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভা। এতে সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী এমপি। আলোচনা করবেন দেশের বিশিষ্ট নাগরিক ও জাতীয় নেতৃবৃন্দ। এছাড়া, ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগ ও সহযোগী সংগঠন যুবলীগ শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে নানা কর্মসূচি পালন করছে।

দ্যুতিময় বুলবুল: লেখক, সাংবাদিক
প্রকাশের তারিখ: ১৭ মে ২০১৯ শুক্রবার।

Print Friendly, PDF & Email