বাঙালিনিউজ
আজ ২৬ এপ্রিল ২০১৯ শুক্রবার রাজধানী ঢাকার চন্দ্রিমা উদ্যানে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের উদ্যোগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জেনারেল জিয়াউর রহমানের সমাধিসৌধে শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বাঙালিনিউজ
নিজস্ব প্রতিবেদক

আজ ২৬ এপ্রিল ২০১৯ শুক্রবার বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিএনপির নির্বাচিতরা যেন শপথ নেন, সেজন্য সরকারের চাপ আছে। তবে তিনি বলেন, সংসদে না যাওয়ার যে সিদ্ধান্ত বিএনপির নেওয়া ছিল, সেটাই বহাল আছে। এ বিষয়ে আর কোনো দ্বিমত থাকার কথা নয়। দলের সিদ্ধান্ত যারা ভাঙবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজধানী ঢাকার চন্দ্রিমা উদ্যানে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জেনারেল জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানোর পর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, জাহিদুর রহমান শপথ নিয়েছেন দলের সিদ্ধান্ত ভঙ্গ করে। এটা তিনি অত্যন্ত গর্হিত কাজ করেছেন-অন্যায়, অপরাধ করেছেন। এ জন্য তাঁর বিরুদ্ধে সংগঠন ব্যবস্থা নেবে। যেটাকে আমরা বলি সাংগঠনিক ব্যবস্থা, সেটা অবশ্যই নেওয়া হবে।

দলের সিদ্ধান্ত নির্বাচিত সাংসদরা মানছেন না, আরও অনেকে শপথ নিতে আগ্রহী, এমন সংবাদের ব্যাপারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, একজন গেছেন। বাকি যাঁরা আছেন, যাঁরা নির্বাচিত, তাঁদের সিদ্ধান্ত তো আমরা এখনো জানি না। তাঁরা আমাদের জানাননি এখনো। আমাদের দলের সিদ্ধান্ত যেটা ছিল, সেটাই বহাল আছে। আমরা কেউ শপথ গ্রহণ করব না। এই বিষয়ে আর কোনো দ্বিমত থাকার কথা নয়।

সরকার কি বিএনপি ভাঙার চেষ্টা করছে? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, এটা তো স্বাভাবিক। বাংলাদেশের রাজনীতিতে এটি অস্বাভাবিক ব্যাপার নয়। বাংলাদেশে বরাবরই এই ধরনের দল ভাঙার প্রচেষ্টা হয়েছে, ভেঙেছে। কিন্তু বিএনপির বিরুদ্ধে এই ধরনের প্রচেষ্টা করে কখনো কোনো লাভ হয়নি। বিএনপি সব সময়ই ফিরে এসে নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছে এবং স্বমহিমায় জনগণের কাছে গেছে।

সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির মহাসচিব ফখরুল ইসলাম বলেন, শপথ নেওয়ার ব্যাপারে সরকারের দিক থেকে নিঃসন্দেহে চাপ রয়েছে। যেটা সব সময়ই থাকে। যে সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয় না, তারাই এই ধরনের চেষ্টা করে থাকে-ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য। মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি জনগণের দল, একটি গোষ্ঠী বা একটি ব্যক্তি যদি কোনো সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে দলের খুব বেশি ক্ষতি হয় না।

জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরিন খান প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

Print Friendly, PDF & Email