বাঙালিনিউজ
ভারতের অগ্নি ৫ (বামে) এবং পাকিস্তানের শাহিন ১এ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা (ডানে)

বাঙালিনিউজ
আন্তর্জাতিকডেস্ক

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ বৃহস্পতিবার, ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরের পুলওয়ামায় সন্ত্রাসী হামলায় ৪০ জন ভারতীয় জোয়ান নিহত হয়। এই ঘটনার জের ধরে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা তুঙ্গে ওঠে। ফলে এক পর্যায়ে দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশি ও প্রতিপক্ষ দেশ দুটি পরস্পরের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকি দিয়েছিল। ভারত ও পাকিস্তানের সরকারি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বলে আজ ১৭ মার্চ রোববার পার্সটুডে’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

পার্সটুডে তার প্রতিবেদনে জানায়, ভারত ও পাকিস্তানের সরকারি সূত্রগুলো বলেছে, ভারত এক পর্যায়ে ছয়টি ক্ষেপণাস্ত্র মারার হুমকি দিয়েছিল। জবাবে পাকিস্তান বলেছিল, ভারত ছয়টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়লে ইসলামাবাদ তার তিনগুণ ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ে জবাব দেবে। তবে শেষ পর্যন্ত দু’দেশের সাম্প্রতিক সংঘর্ষের সময় এই হুমকি বাস্তবায়িত হয় নি। দু’টি দেশই প্রচলিত যুদ্ধাস্ত্রই ব্যবহার করেছে।


ভারতের ব্রাহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র

পাকিস্তানের একজন মন্ত্রী ও ইসলামাবাদে নিযুক্ত পশ্চিমা এক কূটনীতিক নিশ্চিত করেছেন যে, পাকিস্তানের ভেতরে ভারত ছয়টি ক্ষেপণাস্ত্র মারার হুমকি দিয়েছিল। ওই মন্ত্রী বলেন, “সংঘর্ষের সময় পাকিস্তান ও ভারতের গোয়েন্দারা পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন এবং এখনো যোগাযোগ রেখে চলেছেন।”


পাকিস্তানের নাসর ক্ষেপণাস্ত্র

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ মন্ত্রী বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ভারতের হুমকির জবাবে পাকিস্তান বলেছিল, ইসলামাবাদ ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবেলা করবে এবং নিজের ভাণ্ডার থেকে বহু ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়বে। তিনি বলেন, “আমরা বলেছিলাম যদি তোমরা একটি ক্ষেপণাস্ত্র মার, তাহলে আমরা মারব তিনটি। ভারত যা করবে, আমরা তার তিনগুণ জাবব দেব।”

দু’দেশের মধ্যকার উত্তেজনা কমানোর ক্ষেত্রে চীন ও কয়েকটি দেশের ভূমিকার প্রশংসা করেন পাকিস্তানের এ মন্ত্রী। ভারতও বলেছে, সংঘর্ষের সময় নয়াদিল্লি গুরুত্বপূর্ণ শক্তিগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিল। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলে নি নয়াদিল্লি। সূত্র: পার্সটুডে

Print Friendly, PDF & Email