বাঙালিনিউজ

বাঙালিনিউজ
নিজস্ব প্রতিবেদক

আজ ১০ জানুয়ারি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। এই ঐতিহাসিক দিবসটি স্মরণে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় রাজধানী ঢাকায় ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কে বঙ্গবন্ধু জাদুঘরের সামনে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

শেখ হাসিনা প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় তিনি কিছুক্ষণ নিরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় বিউগলের করুণ সুর বেজে ওঠে। এরপর দলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হিসেবে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। এ সময় দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের পাশাপাশি নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী সভানেত্রী শেখ হাসিনাসহ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর, আওয়ামী লীগের বিভিন্ন ইউনিট এবং সহযোগী সংগঠনসহ নানা সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতির জনকের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, জাতির পিতার আর্দশকে ধারণ করেই গণমানুষের জন্য কাজ করে যাবে আওয়ামী লীগ। যারা জাতির পিতার আদর্শকে অনুসরণ করে নাই মানুষ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে।

এর আগে সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়, বঙ্গবন্ধু ভবন ও সারাদেশে দলীয় কার্যালয়ে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আজ বিকেল ৩টায় রাজধানীর ফার্মগেট কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

১৯৭১ সালের মার্চ থেকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের পর, বঙ্গবন্ধুকে বিশ্ব জনমতের চাপে কারাগার থেকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয় পাকিস্তান। ফলে প্রায় নয় মাস ১০ দিন পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি থাকার পর, ১৯৭২ সালের ০৮ জানুয়ারি মুক্তি পেয়ে লন্ডন হয়ে ১০ জানুয়ারি দেশে ফেরেন স্বাধীন সার্বভৌম বাঙালি জাতিরাষ্ট্র বাংলাদেশের জনক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

আর এর মধ্য দিয়েই পূর্ণতা পায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা। তাই এদিন প্রিয় নেতাকে এক নজর দেখার জন্য আনন্দ-উল্লাসে লাখো জনতার ঢল নামে ঢাকার রাজপথে। বিমানবন্দর থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্লাবিত হয় জনস্রোতে।

Print Friendly, PDF & Email