বাঙালিনিউজ

দ্যুতিময় বুলবুল
বাঙালিনিউজ, ঢাকা

আজ ২৮ ডিসেম্বর ২০১৮ শুক্রবার সকাল ৭ টা ৫৯ মিনিটে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রার্থীদের ভোটের প্রচার শেষ হয়েছে। আর একদিন পর, আগামী ৩০ ডিসেম্বর রোববার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ করা হবে। তাই সারাদেশে এখন চলছে রাজনৈতিক দল, প্রার্থী ও প্রশাসনের সর্বশেষ প্রস্তুতি। টানা ১৮ দিন বিরামহীনভাবে ভোটের প্রচার-প্রচারণা এবং সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক প্রস্তুতির পর জনগণ, প্রশাসন ও প্রার্থীদের এখন চূড়ান্তপর্ব তথা ভোটপর্বের জন্য অপেক্ষার পালা।

গত ৮ নভেম্বর ২০১৮ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা। কয়েকটি রাজনৈতিক দলের দাবির মুখে পরে ১২ নভেম্বর পুন:তফসিল ঘোষণা করা হয়।

গত ১০ ডিসেম্বর প্রচারণা শুরুর পর থেকে বিরামহীন প্রচারণার পর এখন জয়-পরাজয়ের অংক মেলাতে ব্যস্ত রাজনৈতিক প্রধান দুই জোটের (মহাজোট-জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট) পাশাপাশি অন্যান্য জোট, দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। ভোটারদের পক্ষে টানতে কতটুকু প্রতিশ্রুতি দিতে পেরেছেন তারও হিসাব-নিকাশ চলছে। এই হিসাব-নিকাশ চলবে আগামীকাল ২৯ ডিসেম্বর শনিবার গভীর রাত পর্যন্ত। তবে দুই প্রধান জোট-ই নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।

একাদশ সংসদ নির্বাচনের তোড়জোড় আগেই শুরু হলেও, ১০ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে শুরু হয় প্রচারণা উৎসব। এবারের নির্বাচনে মূলত দুই জোটের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় একদিকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। তাঁর নেতৃত্বে রয়েছে মহাজোট। অন্যদিকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন। তাঁর নেতৃত্বে রয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। যার প্রধান শরিক দল বিএনপি। তবে এই দুই প্রধান জোটের বাইরেও বামজোটসহ আরো কিছু দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী নিজ নিজ প্রতীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

ক্ষমতাসীন ১৪ দলীয় জোটের প্রধান দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও তাদের প্রধান প্রতিপক্ষ বিএনপিসহ প্রতিদ্বন্দ্বী দল ও প্রার্থীরা নির্বাচনে প্রচারের সময় পরস্পরের বিরুদ্ধে হামলা, নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ এনেছে। নির্বাচন কমিশন (ইসি), প্রশাসন ও পুলিশের বিরুদ্ধেও পক্ষপাতের অভিযোগ এনেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রধান শরিক বিএনপিসহ কয়েকটি দল। তবে ইসি, প্রশাসন ও পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

নানা অভিযোগ ও শঙ্কার মধ্যে দিয়ে প্রচার-প্রচারণা শেষে, প্রার্থীরা এখন ভোটের প্রতীক্ষায় প্রহর গুণছেন। শান্তিপূর্ণ ভোট নিয়ে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা আশঙ্কা প্রকাশ করলেও, প্রচারণার শেষ দিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সারাদিন রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে সব দলের প্রার্থী সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে শেষ বারের মতো ভোট প্রার্থনা করেছেন। প্রচারণা শেষে এখন সবাই ৩০ ডিসেম্বর ভাগ্য নির্ধারণী ফলাফলের অপেক্ষায়।

এবার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, আগের নির্বাচনগুলোর থেকে কয়েকটি ক্ষেত্রে আলাদা নজির সৃষ্টি করেছে। কারণ, ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু সরকারের অধিনে নির্বাচনের পর, এবারই প্রথম তাঁর কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারের অধিনে সব দলের অংশগ্রহণে উন্মুক্ত পরিবেশে স্বাধীন ও দল নিরপেক্ষভাবে গঠিত নির্বাচন কমিশন ভোটগ্রহণ করছে।

বাঙালিনিউজ

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আর একটি নতুন মাত্রা হলো, এবার সব দলের প্রার্থীরাই ডিজিটাল মাধ্যমে অর্থাৎ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে প্রচারের বড় হাতিয়ার হিসেবে বেছে নেন। সব দলের প্রার্থীই ভিডিও বার্তার মাধ্যমে, মোবাইলে ই-মেইল ও ম্যাসেজ পাঠিয়ে ভোটারদের কাছে নিজ নিজ দল ও প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেছেন, প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছেন।

অন্যদিকে প্রথম বারের মতো এবার জাতীয় নির্বাচনে ৩০০ সংসদীয় আসনের মধ্যে ৬টি আসনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহৃত হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে সাতক্ষীরা সদর, খুলনা, চট্টগ্রাম, রংপুর ও ঢাকার দুইটি আসন। এই আসনগুলোর সব কেন্দ্রে ইভিএমে ভোট হবে। এসব আসনে ইতোমধ্যে ইভিএম মেশিন পৌঁছে গেছে। এখন ভোটারদের প্রশিক্ষণের জন্য ওইসব আসনে মক ভোটিং চলছে।

এবার সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধিত ৩৯টি রাজনৈতিক দল অংশ নিচ্ছে। আর দীর্ঘ ১০ বছর পর ভোটের লড়াইয়ে মুখোমুখি হচ্ছে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। তত্ত্বাবধায়ক ইস্যুতে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন বিএনপিসহ অনেক দল বর্জন করেছিল।

২০১৪ সালে বিএনপির বর্জনের মধ্যে দশম সংসদ নির্বাচন জিতে টানা দ্বিতীয়বারের মত শেখ হাসিনার দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে। এই নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ১৫৩টিতে একক প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগ ২৩২টি, জাতীয় পার্টি ৩৩টি, ওয়াকার্স পার্টি ৬টি, জাসদ ৫টি, জেপি ১টি, তরিকত ফেডারেশন ১টি, বিএনএফ ১টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ১৩টি আসনে জয় পান।

এর আগে সর্বশেষ ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনে মুখোমুখি লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছিল নৌকা-ধানের শীষ প্রতীক। ২০০৮ সালের ওই নবম সংসদ নির্বাচনে দুই তৃতীয়াংশ আসনে জয় পেয়ে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। দুই বছর জরুরি অবস্থার পর ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ২৩০টি, বিএনপি ২৯টি, জাতীয় পার্টি ২৭টি, জাসদ ৩টি, ওয়ার্কার্স পার্টি ২টি, জামায়াতে ইসলামী ২টি, এলডিপি ১টি, বিজেপি ১টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৪টি আসনে জয়ী হন।

এবার ১০ বছর পর, আওয়ামী লীগ-বিএনপি উভয়ই জোটবদ্ধভাবে ভোটে অংশ নিয়েছে। মহাজোটের মূল দল আওয়ামী লীগ এবং জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোটের মূল দল বিএনপি। তবে এবার বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা, সাবেক সেনা শাসক জেনারেল জিয়াউর রহমানের পরিবারের কেউ নির্বাচনে প্রার্থী নেই, প্রচারের মাঠেও নেই।

এবার একক দল হিসেবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (হাতপাখা) সব থেকে বেশি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। দেশের ৩০০ আসনের মধ্যে দলটির ২৯২ জন প্রার্থী রয়েছেন বলে জানা গেছে। আর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১ হাজার ৮৪৭ জন প্রার্থী। এর মধ্যে ৫০ জনের মতো রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী, বাকিরা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী।

বাঙালিনিউজ

অনিবন্ধিত অনেক রাজনৈতিক দল প্রধান দুই জোটের সঙ্গে জুড়ে নির্বাচনে লড়ছেন। এর বাইরে বাম মোর্চা ও ইসলামী কয়েকটি দল ও স্বতন্ত্রপ্রার্থীরা মাঠে চষে বেড়িয়েছেন। তবে মূল লড়াই হবে নৌকা-ধানের শীষ প্রতীকের।

এবার সব দল নির্বাচনে অংশ নেয়ায়, সারাদেশে নির্বাচনী আবহ বিরাজ করছে। ইসি সূত্রে জানা গেছে, এই নির্বাচনে ৩০০ আসনে ভোটার ১০ কোটি ৪২ লাখ ৩৮ হাজার। নির্বাচনে নতুন ভোটার প্রায় ১ কোটি ২৩ লাখ। এই ভোটাররা প্রথমবারের মতো জাতীয় নির্বাচনে ভোট দেবেন। আর এই নতুন ভোটাররাই নির্বাচনে জয়-পরাজয়ে বড় ফ্যাক্টর হতে পারেন বলে কেউ কেউ মনে করছেন।

এই নির্বাচনে ৪০ হাজার ১৮৩টি ভোট কেন্দ্র ও ২ লাখ ৬ হাজার ৪৭৭টি ভোটকক্ষ রয়েছে। একজন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে গাইবান্ধা- ৩ আসনে ভোট স্থগিত করে পুনঃতফসিল দেয়া হয়েছে। ওই আসনে ভোটারের সংখ্যা ৪ লাখের বেশি।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ইতোমধ্যে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কার্যালয়ে গচ্ছিত আছে যাবতীয় নির্বাচনী সামগ্রী। আগামীকাল ২৯ ডিসেম্বর শনিবার তা চলে যাবে নির্বাচনী সব কেন্দ্রে।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে, আদালতের রায়ের কারণে শেষ সময়ে কোনও আসনের জন্য ব্যালট ছাপানোর প্রয়োজন হলে, ঢাকা থেকে সংশ্লিষ্ট এলাকায় তা পাঠানোর জন্য প্রস্তুত রয়েছে হেলিকপ্টার। পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গম এলাকায়ও হেলিকক্টারের মাধ্যমে নির্বাচন সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হবে বলে কমিশন সূত্র জানিয়েছে।

এবার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ কাজে নিয়োজিত থাকবেন প্রায় ৭ লাখ কর্মকর্তা। ৫ লাখের বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মাঠে থাকবেন। এরই মধ্যে সেনা ও নৌবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশসহ (বিজিবি) অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরা মাঠে নেমেছেন।

প্রচার প্রচারণার বিষয়ে গতকাল ২৭ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী জানানো হয়েছে, ‘১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৭৮ অনুসারে ভোটগ্রহণ শুরুর পূর্ববর্তী ৪৮ ঘণ্টা ও ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অর্থাৎ, ২৮ ডিসেম্বর সকাল ৮টা থেকে ১ জানুয়ারি বিকেল ৪টা পর্যন্ত সব নির্বাচনী এলাকায় যে কোনো ধরনের সভা, সমাবেশ ও মিছিল, শোভাযাত্রা করা যাবে না।’

অর্থাৎ, সংসদ নির্বাচনের সব প্রচার কাজ বন্ধ করতে হবে ২৮ ডিসেম্বর সকাল ৮টার আগেই। আর ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারি বিকেল ৪টা পর্যন্ত কোনো প্রচারণা চালানো যাবে না।

বাঙালিনিউজ

আজ ২৮ ও কাল ২৯ ডিসেম্বর সাপ্তাহিক ছুটি, পরদিন ৩০ ডিসেম্বর ভোট উপলক্ষে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ব্যাংকও বন্ধ রাখা হয়েছে ২৮ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। নির্বাচনে অবৈধ লেনদেন বন্ধে আজ ২৮ ডিসেম্বর বিকাল ৫টা থেকে আগামী ৩০ ডিসেম্বর বিকাল ৫টা পর্যন্ত সব ধরনের মোবাইল ব্যাংকিং বন্ধ থাকবে।

২৯ ডিসেম্বর মধ্যরাত থেকে সারাদেশে সড়ক ও নৌপথে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে ২ জানুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত। ক্ষেত্র বিশেষ আরো অধিককাল মোটরসাইকেল বা অনুরূপ যান চলাচলে নিষেধ থাকবে। তবে নির্বাচন উপলক্ষে সাংবাদিকদের ভোটের সংবাদ সংগ্রহের জন্য মোটরযানের উপরে যে নিষেধাজ্ঞা ছিল তা উঠিয়ে দিয়েছে ইসি।

এছাড়া যানবাহন চলাচলের নিষেধাজ্ঞায় বলা হয়েছে, ভোটগ্রহণের আগের দিন রাত ১২টা থেকে ভোটগ্রহণের দিন মধ্যরাত পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় ট্যাক্সি ক্যাব, বেবিট্যাক্সি/অটোরিকশা, মাইক্রোবাস, জিপ, পিকআপ, কার, বাস, ট্রাক, টেম্পো, লঞ্চ, ইজিবাইক, ইঞ্জিনবোট ও স্পিডবোটগুলোর চলাচলের ওপর উক্ত নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে।

ইসি সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র ও কক্ষের নিয়ন্ত্রণে আজ ২৮ ডিসেম্বর থেকে মাঠে নামছে পুলিশ-আনসার। এর আগে গত ২৬ ডিসেম্বর মাঠে নামে র‌্যাব। তারও আগে ২৪ ডিসেম্বর সেনাবাহিনী এবং গত ২০ ডিসেম্বর মাঠে নামে বিজিবি। তিন স্তরের নিরাপত্তায় টহল দিচ্ছেন আইন-শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা। পুরো নির্বাচনের এলাকা সেই অর্থে বলা যায়, নিরাপত্তার চাদরে মোড়ানো থাকবে।

এবারের নির্বাচনে মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরের সাধারণ কেন্দ্রগুলোতে ১৪ থেকে ১৫ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৫ থেকে ১৬ জন সদস্য মোতায়েন থাকবে। পার্বত্য এলাকা, দ্বীপাঞ্চল, হাওড় এলাকার কেন্দ্রগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য সংখ্যা আরও বেশি থাকবে। ভোটকেন্দ্রে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ভোটগ্রহণের দুই দিন আগে মোতায়েন করা হচ্ছে। এছাড়া সারাদেশের আইনশৃঙ্খলা মনিটরিংয়ে আজ ইসিতে ‘আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় ও মনিটরিং’ কমিটি কার্যক্রম শুরু করবে।

বাঙালিনিউজনির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম রোধে ১২২টি নির্বাচন তদন্তে কমিটির জন্য ৩০০ সংসদীয় আসনের বিপরীতে ২৪৪ বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে রয়েছেন। আজ ২৮ ডিসেম্বর থেকে আরো ৬৪০ জন প্রথম শ্রেণির বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে নামছেন। ভোটগ্রহণের আগে-পরে ৫ দিন মাঠে থাকবেন তারা।

দ্যুতিময় বুলবুল: লেখক, সাংবাদিক, গবেষক।
ই-মেইল: dyutimoybulbul@gmail.com
প্রকাশের তারিখ: ২৮ ডিসেম্বর ২০১৮ শুক্রবার।

Print Friendly, PDF & Email