বাঙালিনিউজ
নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সভাপতি ভিসি চত্ত্বরে দেয়া বক্তব্য:

“তোমাদের আবেগ আছে, আমার নাই? আমি হেরে গেছি, আমার কি ব্যথা নাই?
… সবার প্রতি আমার অনুরোধ, যা হইছে তা মেনে নিয়ে, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উপর আমাদের পূর্ণ আস্থা আছে। তারা আমাদের শিক্ষক, অভিভাবক।

আমাদের বাংলাদেশ ছাত্রলীগেরই তো উদাহরন দেখাইতে। আমাদের সবাইকেই জায়গা দিতে হবে। বাংলাদেশে যে ষোল কোটি মানুষ আছে, এই ষোল কোটি মানুষই আমাদের বাংলাদেশের নাগরিক। তাদের সবাইকেই আমাদের দেখে রাখতে হবে। সবাইকেই দেখে রাখতে হবে। মানুষকে দূরে ঠেলে দিয়ে লাভ নাই। 


আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সকল শিক্ষার্থীকে নিয়েই চলতে হবে। সবাই তো আমাদের। কে আপন কে পর? সবাই তো আপন! তুমি যদি মানুষকে পর করে দাও, তাহলে তো হবে না। কারণ তোমার মনে রাখতে হবে তুমি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কর্মী। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কর্মীদের মন এত ছোট হইতে পারে না। ছাত্রলীগের কর্মীদের মন অনেক বড়, অনেক বিশাল। 


তোমরা যা করতেছো, তা তো আমার জন্যই করতেছো। তোমরা আমার কথা মানবা না? তোমরা তো আমাকে মানো।

আমি তো শুধু ব্যক্তি না, আমি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি। আমার একটা জায়গা আছে, আমার জায়গা তোমরা এভাবে নষ্ট করিও না। তোমাদের প্রতি এটা আমার অনুরোধ। 
আমরা শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় না, বাংলাদেশে যত ছাত্র আছে, তাদের সবার প্রতিনিধিত্ব করি। আমি আমার বক্তব্যে সব সময় বলতাম বাংলাদেশ ছাত্রলীগ তারুণ্যের সংগঠন। সারা বাংলাদেশে যত তরুণ আছে, তারা ছাত্রলীগের কর্মী না হলেও আমরা তাদের দেখে রাখবো। এটা দায়িত্ব, দায় বোধের জায়গা থেকে।
(নুরু প্রসঙ্গে) তাকে মানতে হবে। না মানলে তোমরা আমাকেই মানো না।

অনেক সময় অনেক কিছুর কারণে, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখার জন্য, দেশের ভালোর জন্য নিজেকে বলি দিতে হয়। নিজেকে বলি দিতে হয় অনেক সময়।

আমি যা বলি শোনো। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখার জন্য আমরা সবাইকে একসাথে নিয়ে কাজ করতে চাই। সবাই একসাথে কাজ করব। নুরুও একসাথে কাজ করবে৷ আমার তোমাদের সবার কাছে মাফ চাই। আমি এখন তোমাদের নির্দেশ দিচ্ছি তোমরা পাঁচ মিনিটের মধ্যে এই জায়গা (ভিসি চত্ত্বর) ছেড়ে চলে যাবা। তোমাদের কাছে আমার অনুরোধ, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশটা তোমরা সুন্দর রাখো। কারণ সবার প্রথমে তোমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, সকল শিক্ষার্থীর প্রতি সম্মান রেখে তোমরা চলে যাবা। মাননীয় ভিসি আমাদের অভিভাবক, তার বাসার সামনে এমন অবরোধ দৃষ্টিকটু লাগে।
তোমরা প্রথমত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, দ্বিতীয়ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কর্মী। সবাই চলে যাও, আল্লাহ হাফেজ।”

Print Friendly, PDF & Email