বাঙালিনিউজ
গত বছর ২০১৮ সালের ১৪ জানুয়ারি বিএনপির নেতা, কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় পুলিশের গাড়িতে দিয়াশালাই দিয়ে এক যুবককে আগুন দিতে দেখা যায়। আর অপর এক যুবককে পুলিশের গাড়ির উপর লাফাতে দেখা যায়। ছবি: সংগৃহীত

বাঙালিনিউজ
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর নয়াপল্টনে গত বছর ২০১৮ সালের ১৪ নভেম্বর বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের রাস্তায় দলটির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশের গাড়িতে দিয়াশালাই দিয়ে যে যুবক আগুন দিয়েছিল, পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ জানায়, ওই যুবকের নাম ওয়াসিম (২৮)।

আজ ১০ জানুয়ারি ২০১৯ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশে‘র (ডিএমপি) পক্ষ থেকে পাঠানো এক খুদে বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ঘটনার দিন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিএনপির মনোনয়নপত্র জমা দিতে আসার সময় হাজারখানেক নেতা-কর্মীর মিছিল পুরো রাস্তা আটকে দেয়। এ পর্যায়ে পুলিশ মিছিলটিকে রাস্তা থেকে সরিয়ে একটি লেন চালু করতে গেলে সংঘাতের সূত্রপাত হয়। বিএনপির নেতা-কর্মীরাও খুব দ্রুত মারমুখী হয়ে ওঠেন।

এক পর্যায়ে তাদের লক্ষ্য করে পুলিশ প্রচুর কাঁদানে গ্যাসের শেল ও ছররা গুলি ছোড়ে। গুলি-কাঁদানে গ্যাসের শেলের দ্রুম দ্রুম শব্দ, গ্যাসের ধোঁয়া, নেতা-কর্মীদের হইচই, ধর ধর চিৎকার, মানুষের ছোটাছুটি, হুড়মুড় করে দোকানের ঝাঁপ নামানোর শব্দ—সব মিলিয়ে কিছুক্ষণের জন্য পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

এ সময় কিছু যানবাহন ভাঙচুর ও পুলিশের দুটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় বিএনপির কর্মী-সমর্থকরা। দেড় ঘণ্টার সংঘর্ষে ২৩ পুলিশ সদস্য এবং অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন বলে দাবি উভয় পক্ষের।

পুলিশের দাবি, এই সংঘর্ষের জন্য বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস, তাঁর স্ত্রী আফরোজা আব্বাস, বিএনপির আরেক নেতা আখতারুজ্জামান ও নবীউল্লাহ দায়ী। সংঘর্ষের ঘটনায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে আসামি করে পুলিশ তিনটি মামলা করেছে। তবে মির্জা আব্বাসের দাবি, ‘এটা সরকার বা আওয়ামী লীগের সাবোটাজ হতে পারে।’

Print Friendly, PDF & Email