বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা মহানগরীকে যানজট, দূষণ ও বন্যামুক্ত করতে হলে প্রথমেই ঢাকার চারিপাশের খালগুলো পুনঃখনন করতে হবে। বর্তমানে ঢাকার চারিপাশে যে বেড়ি বাঁধ আছে, সেই বাঁধকে আরও প্রসারিত ও উঁচু করতে হবে। এই বেড়ি বাঁধের উপর দিয়ে ট্রেন সহ বিভিন্ন যানবাহন ও ট্রাম চালাতে হবে।
এছাড়া রাজধানীর ভেতরে আইল্যান্ড যে দিক দিয়ে আছে, সেদিক দিয়ে ট্রাম চালাতে হবে প্রতিদিন। যে যানবাহনগুলো রাজধানীতে চলাচল করে, সেই যানবাহনগুলোর মধ্যে যে গাড়িগুলোর শেষের নাম্বার জোড় (২, ৪, ৬, ৮, ১০) সেই গাড়িগুলো যে দিন চলবে, সেদিন বেজোড় নাম্বারের গাড়িগুলো (১, ৩, ৫, ৭, ৯) চালানো যাবে না।

যদি প্রয়োজন হয়, তাহলে এই নাম্বারের গাড়িগুলো চালাতে হলে সরকারকে একটি নির্দিষ্ট হারে ফি দিয়ে, একটি টোকেন নিয়ে চালাতে পারবে।

(১) টাঙ্গাইল থেকে ঢাকা, (২) ময়মনসিংহ থেকে ঢাকা, (৩) কুমিল্লা থেকে মেঘনাঘাট হয়ে ঢাকা, (৪) আরিচা থেকে ঢাকা, (৫) মাওয়া থেকে ঢাকা-এই সব রুটে ট্রেন চলাচল করবে। এসব ট্রেনে সকালে অফিস করার জন্য লোকজন আসবে এবং বিকেলে অফিস শেষে ঘরে ফিরে যাবে, এমন ব্যবস্থা করতে হবে।

দ্রুতগামী ট্রেনে লোকজনের যাতায়াতের ব্যবস্থা করা গেলে, রাজধানীতে একদিকে জ্যাম কমে যাবে। অন্যদিকে গাড়ির মালিক, শ্রমিকরাও যদি আইন মেনে চলেন, সেটাও জ্যাম কমানোর জন্য সহায়ক হবে। এভাবে ট্রেন, পরিবহন ব্যবস্থা এবং যাতায়াত ব্যবস্থার যদি উন্নতি করা যায়, তাহলে রাজধানীর জ্যাম অনেক কমে যাবে। (‘ঢাকা আমার ঢাকা’ শিরোনামে এই পরিকল্পনা ও ডিজাইনটি করেছেন আলোকচিত্র সাংবাদিক নিতাই পদ দাস।)