কলেজছাত্রীর বাসায় রাত্রিযাপনকালে শিক্ষক ধরা

বাঙালিনিউজ
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে এক কলেজছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ছাত্রীর বাড়িতে রাত্রিযাপনকালে মন্টু মিয়া নামে এক স্কুলশিক্ষককে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে দিয়েছে গ্রামবাসী। এ ঘটনায় ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ের অভিযোগে মামলা করেছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে গত ৩১ মার্চ ২০১৯ রোববার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

জানা যায, এ ঘটনায় অভিযুক্ত মন্টু মিয়া উপজেলার ধোপাকান্দি আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক।

এ ঘটনায় পুলিশ সূত্রে জানান, ওই ছাত্রী ধোপাকান্দি আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণিতে থাকা অবস্থায় বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মন্টু মিয়ার সঙ্গে তার প্রেমের সর্ম্পক গড়ে ওঠে। এ সময় মন্টু মিয়া তার শহরে এক বন্ধুর বাসায় নিয়ে ওই ছাত্রীকে মুখে মুখে বিয়ে করেন। এসময় তাকে বয়স হলে পরে কাবিন নামা করার আশ্বাসও দেন। এ আশ্বাসেই তিনি প্রায় এক বছর ধরে ওই ছাত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক চালিয়ে আসছিলেন।

গত ২৯ মার্চ শনিবার রাতে শিক্ষক মন্টু মিয়া গোপনে ওই ছাত্রীর বাড়িতে রাত্রিযাপনকালে গ্রামবাসী তাকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে গাছে বেঁধে রাখে। রাতে খবর পেয়ে পুলিশ ওই শিক্ষককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে এনে আটক শিক্ষককের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন। ৩০ মার্চ রোববার আটক শিক্ষককে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। বর্তমানে ওই ছাত্রী স্থানীয় একটি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে অধ্যায়নরত।

এ বিষয়ে গোপালপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান আল মামুন থেকে জানা যায়, ওই ছাত্রীর বাড়িতে রাত্রিযাপনকালে আটক শিক্ষক মন্টু মিয়ার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। ঘটনায় ৩০ মার্চ রোববার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও প্রতারণার শিকার ওই ছাত্রীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনালের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ সময় তিনি আরও জানান, আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মন্টু মিয়া দুই সন্তানের জনক। তিনি বিয়ের মিথ্যে প্রলোভন দেখিয়ে আর প্রতারণার মাধ্যমে নাবালিকা ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে আসছিলেন।

Print Friendly, PDF & Email

Related posts