বাঙালিনিউজ
স্বাস্থ্যডেস্ক

শীতের এই মৌসুমে ওজন নিয়ন্ত্রনে রাখতে প্রতিদিন কি ধরণের খাবার গ্রহন করা উচিত, সে বিষয়ে জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদ সুলতানা-ই-মোনজেরীনা

যেহেতু শীতে শারীরিক ওজনের বিষয়ে বাড়তি যত্নের প্রয়োজন হয়, তাই সব বয়সী মানুষের জন্যই খাদ্যাভ্যাস পাল্টানোর দরকার। টিন-এজ থেকে বয়স্করা শীতের সকালটা শুরু করতে পারেন হালকা ব্যায়াম অথবা ওয়ার্মাপ দিয়ে। সকালের নাশতায় আটার রুটি, ডিম ও সবজি থেকে পেয়ে যাবেন সেবেলার প্রয়োজনীয় পুষ্টি। গ্রোইং-এজরা ব্রেড, বাটার, সিদ্ধডিম এবং দুধ রাখতে পারেন। চাইলে ওটস, দুধ এবং ফলের সংমিশ্রনে খেতে পারেন সহজ উপায়ে পুষ্টিকর খাবার। শীতের এই মৌসুমে বিভিন্ন ধরনের সবজির সরবরাহ থাকায় এক বাটি ভেজিটেবল স্যুপ সকালের নাশতায় আনতে পারে পুষ্টির সমতা।

মধ্য সকালে কলা, কমলা, পাকা পেঁপে, পেয়ারা বা পছন্দ মতো যে কোনো একটি মৌসুমী ফল বেছে নিতে পারেন।

দুপুরের খাবারে ভাতের সাথে মাছ/মাংস ও ডালের পাশাপাশি সবজিকে মেনু হিসেবে না চাইলে মাছের সাথে শীতের সবজি যোগে রান্না করতে পারেন। সেই সাথে সালাদে টমেটো ,শশা, গাজর, বাধাঁকপি, মূলা ইত্যাদি সহজলভ্য সবজি থাকা বাঞ্ছনীয়।

টিন-এজরা বিকেলের নাশতা একটু ভারী করতে চাইলে সবজিচপ, স্যুপ অথবা ভেজিটেবল নুডুলস বেছে নিতে পারেন। ডেজার্টে নিতে পারেন সেমাই, সূজির হালুয়া, ফিরনি অথবা দই। উচ্চরক্তচাপ বা রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রকারীরা চিনিবিহীন এক কাপ চা, দুটি টোস্ট বিস্কুট ও বাদাম দিয়ে সারতে পারেন বিকেলের নাশতা।

রাতে রুটি-সবজি/ ওটস বা কণফ্লেক্স বেছে নিতে পারেন। ঘুমানোর আগে খেতে পারবেন চিনি ছাড়া এক গ্লাস দুধও।

শীতের অবসর সময়ে খাওয়ার পরিমান হয়তো একটু বেড়ে যায়, সেক্ষেত্রে কিছু টিপস্ মেনে চলতে পারেন যাতে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি ক্যালোরি গ্রহণ না হয়। যেমন:-

 টিভি দেখতে দেখতে চিপস্, চানাচূর ও কোল্ডড্রিংসের বদলে বেছে নিন মুড়ি, পপকণ বা বাদাম।

 উষ্ণতা পেতে চা, কফি ও হটচকলেটের বদলে বেছে নিন গ্রিন টি , ফ্লেভারফুল মসলা চা। খেতে পারেন কুসুম গরম দুধও।

 দাওয়াত বা কোন অনুষ্ঠানে যাওয়ার আগে বাসা থেকে হালকা কিছু খাবার খেয়ে বের হলে ভারী ক্যলোরীযুক্ত খাবার কম খাওয়া হবে অনায়াসেই।

 তৃষ্ণা না থাকলেও নিজ থেকে পরিমিত পানি পান করুন শীতের সারাদিন।

Print Friendly, PDF & Email