বাঙালিনিউজ
সামনেই বিবাহ বার্ষিকী বিরাট কোহলি, অনুষ্কা শর্মার। ছবি: অনুষ্কার ইনস্টাগ্রাম

বাঙালিনিউজ
বিনোদনডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ায় সিরিজ খেলতে গেছে ভারতীয় ক্রিকেট দল। নেতৃত্বে রয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক, সুপারস্টার বিরাট কোহলি। এই সফরে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও বিরাটের সঙ্গী হতে পারেননি প্রিয়তমা স্ত্রী অনুষ্কা শর্মা। ‘জিরো’ ছবি নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারণেই এই বলিউড সুন্দরী এবার ভারতীয় দলের সঙ্গে যেতে পারেননি।

তবে বিলম্বও তিনি করেন নি, সমস্ত কাজ দ্রুত গুটিয়ে নিয়ে ইতোমধ্যেই প্রাণ সখার সঙ্গে মিলতে অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন অনুষ্কা। সেখানে কয়েকদিন থাকার পর আবার ফিরে আসবেন তিনি।

প্রাণপ্রিয় বন্ধু ও স্বামী বিরাট কোহলির প্রেমের টানেই সব কাজ ফেলে অস্ট্রেলিয়া গেলেন অনুষ্কা শর্মা। মুম্বাই বিমানবন্দরে ক্যামেরাবন্দি হলো তাঁর অস্ট্রেলিয়া যাত্রার ছবি।

বাঙালিনিউজ

আগামী ১১ ডিসেম্বর বিরাটের সঙ্গে অনুষ্কার প্রথম বিবাহবার্ষিকী। গত বছর ১১ ডিসেম্বর ইতালিতে সাতপাকে বাঁধা পড়েছিলেন বিরাট কোহলি ও অনুষ্কা শর্মা। প্রথম বিবাহবার্ষিকীতে বিরাটের কাছাকাছি থাকতে অস্ট্রেলিয়ায় উড়ে গেছেন বলিউড অভিনেত্রী। সপ্তাহ খানেক সময় এখনও হাতে আছে। তাই অস্ট্রেলিয়া উড়ে গেলেন অনুষ্কা শর্মা। সেখানেই বিয়ের একবছরের সেলিব্রেশন করবেন তাঁরা।

এরপর দেশে এসে ‘জিরো’ ছবি নিয়ে প্রচার চালাবেন হিরো শাহরুখ খানের সঙ্গে। ‘জিরো’ মুক্তি পাওয়ার পর হয়ত ফের বিরাটের কাছে যেতে পারেন অনুষ্কা।

এদিকে সিনেজগতে প্রশ্ন উঠেছে, অনুষ্কা শর্মা কী অন্তঃস্বত্ত্বা? প্রচারমাধ্যমে প্রায় প্রত্যেক দিনই অনুষ্কা মা হচ্ছেন এমন প্রতিবেদন লেখা হচ্ছে। কিছু কিছু প্রতিবেদনে সম্প্রতি এমনটাও লেখা হয়েছে, অনুষ্কা সন্তানসম্ভবা বলেই হয়তো ‘জিরো’ সিনেমার পরে নতুন কোনও সিনেমার কাজ করছেন না।

বাঙালিনিউজ

তবে সেই জল্পনায় সম্প্রতি দাঁড়ি টেনেছেন স্বয়ং অনুষ্কা শর্মা। জাতীয় প্রচারমাধ্যমে এক সাক্ষাকারে বিরাট কোহলির প্রিয়তমা স্ত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, “লোকেরা গুজব ছড়াবেই। এটা পুরোপুরি নির্বুদ্ধিতা এবং বোকা বোকা ব্যাপার। কারণ, এমন বিষয় কেউই লুকোতে পারে না। আপনি বিয়ে লুকোতে পারেন, কিন্তু গর্ভাবস্থা লুকোনো যায় না।”

এখানেই থামেননি অনুষ্কা। বলেছেন, “প্রত্যেক মহিলা শিল্পীই এমন অবস্থার মধ্যে দিয়ে যান। সম্পর্ক তৈরি হওয়ার আগেই বিয়ে করিয়ে দেওয়া হয়, এমনকি গর্ভবতী হওয়ার আগেই মা বানিয়ে দেওয়া হয়। এমন ঘটনা নিয়ে ভাবার কোনও মানেই হয় না। পুরোটাই মজার মনে করে স্রেফ হেসে উড়িয়ে দিই। যখনই এমন ঘটনায় পড়ি, মনে হয় এমন অবাস্তব জিনিস এঁরা পায় কোথা থেকে? বর্তমানে পুরো সময় ধরেই কাজ করছি।”

Print Friendly, PDF & Email